আর্সেনিক ও আর্সেনিক দূষণ

আর্সেনিক ও আর্সেনিক দূষণ

honey bee sucking necter from flower,nature,necter,
Bee with Flower

EVS MCQ -2:-আর্সেনিক ও আর্সেনিক দূষণ

1.রক্ত রসে হিমোগ্লবিন থাকে—

a.মানুষ   b. কেঁচো   c.আরশোলা   d.ব্যাঙ।

2. EPA এর পুরো নাম কী—?
a. Environment people act    b. Environment protection act  
c. Environment population act    d.কোনটিও না

3.পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুলজিক্যাল পার্ক কোথায়—-?
a.সিমলা   b. নেপাল   c.নৈনীতাল   d. দাজিলিং

4.সালফারের প্রধান উৎস হল—?

a.পাহাড়   b. হ্রদ   c.আগ্নেয়গিরি   d.পচাপুকুর।


Kilauca,Volcano,Hawaii,Nature,SO2 gas.
Kilauca,Volcano,Hawaii

 

5.পরিবেশ শিক্ষার ক্ষেএে শিক্ষামূলক ভ্রমণ হল –?
a.দৃষ্টি শ্রুতি নির্ভর সহায়ক উপকরন।  
 b.শ্রুতি নির্ভর সহায়ক উপকরন।
c. .দৃষ্টি নির্ভর সহায়ক উপকরন।  
 d.সক্রিয়তা ভিওিক সহায়ক উপকরন।

6.পুননবীকরনযোগ্য শক্তি সম্পদ হল—?

a.বায়োমাস   b. কয়লা   c.পেট্রোলিয়াম   d.ইউরেনিয়াম। 

7.আত্মঘাতি থলি বলা হয়—?

 

a. রাইবোজম   b. গলগি বস্তু    c. নিউক্লাস   d. লাইসজোম।

EVS MCQ -2:-আর্সেনিক ও আর্সেনিক দূষণ

8.এনটোমোলজি হল ——- সম্নধীয় বিজ্ঞান

a.পতঙ্গ    b. পক্ষী    c. মৌমাছি    d. মথ


Insect

 

9. হারগুলি পেশীর সঙ্গে কী দ্বারা  যুক্ত থাকে—–?
a. লিগামে্নট    b. কনডরা    c. রক্ত    d. কোনটিও নয়।

10. ‘TRAVEL’ কথাটি এসেছে ফরাসী শব্দ —?

a.TRAVEL থেকে   b. TRAVAIL থেকে   c. TRAVELL থেকে   d. TRAVELE থেকে

11.সোনালী চতুর্ভুজ পরিকল্পনা কবে হয়—-?

a.1999 সালের 2 nd january 
b.19992 সালের 2nd october 
c.1999 সালের 2 nd september
d.1999 সালের 2nd february 

12. জার্মানীর সড়কপথ কী নামে পরিচিত —?

 

a.অটোনোমাস   b.অটোবানস   c. রোডরান  d. রোডবান

13. গ্রিক শব্দ সিসমোস কথার অর্থ কী —–?
a.সুনামি  b.ভূকম্পন  c.হ্যারিকেন  d.টর্নেডো 

 

14. কোন সালে লণ্ডন ফ্রগ এর প্রাদুর্ভাব হয় —- ?
a.1950 সালে  b.1951 সালে  c.1952 সালে  d.1953 সালে ।
 
15. মানবদেহে আর্সেনিকের সহনসীমার মাত্রা ——?

a.0.04 mg/lit   b. 0.03 mg/lit   c. 0.05 mg/lit  d. 0.06 mg/lit


আর্সেনিকআর্সেনিকদূষণ (What is Arsenic and Arsenic Pollution?):-

আর্সেনিক মুলত একটি মৌলিক পদার্থ জলে স্বল্পমাত্রায় থেকে থাকে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক দ্বারা জল মৃত্তিকা জীত হওয়াকে আর্সেনিক দূষণ বলে যদিও লে আর্সেনিক দূষণের ফলাফল মারাত্মক আর্সেনিক এর রাসায়নিক সংকেত  – As ,পারমাণবিক সংখ্যা -৩৩ ।এটি একটি মৌলিক পদার্থ এর কোনো রং ,গন্ধ স্বাদ নেই আর্সেনিক ধাতুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে বিভিন্ন বিষাক্ত ধাতব যৌগ তৈরি করে যেমন আর্সিন গ্যাস ,আর্সেন অক্সাইড আর্সিনাইটস ইত্যাদি উদ্ভিদ ,প্রাণী,মানুষ পরিবেশের ক্ষতি করে । বিভিন্ন কীটনাশক ও আগাছানাশক, যেমন- লেড আর্সেনেট, ক্যালশিয়াম আর্সেনেট, সোডিয়াম আর্সেনেট,প্যারিস গ্রিন ইত্যাদি যৌগ গুলি আর্সনিক দূষণ ঘটায় ।সোনা সিসা নিষ্কাশনের সময় ও কয়লার দহনে আর্সনিক পরিবেশে মুক্ত হয় ।

আর্সেনিকদূষণ :

Arsenic is not hereditary disease. More than normal levels, if there is more than 0.05 milligrams of water per liter of water, it is harmful to the human body. There is no color and it is very harmful for the human body. Arsenic is found in tubewell water in most areas of our country. Use of arsenic containing tubewell water or cooking, increases the chance of getting infected with various diseases of arsenic. Whether or not there is arsenic in the water, it can not be evaluated by the naked eye, because of this, we often use arsenic water or cooking.
Arsenic
As arsenic is consumed more than normal, it gradually accumulates in its body and produces arsenic in humans. Usually symptoms of arsenic can be seen from 6 months to 20 years or more in many cases. How long will it be seen depends on the prevention of disease in the human body.
Mainly, arsenic can enter the human body in many ways. Such as through the air, through the airway, through water and food and through the skin can enter the body. Arsenic risk is much higher in India than in any other country. It is possible to get rid of arsenic-related diseases by increasing awareness and ensuring arsenic-free water.

 The tolerable levels of arsenic –

According to the World Health Organization standards, the tolerable level of arsenic in 0.11 milligram per liter of water, if the tolerant level of arsenic is 0.05 milligrams (0.05 milligrams) more than 0.05 milligrams per liter of water, the Indian government can not be used for drinking or cooking. The problem arose due to arsenic pollution in India in the initial stage, due to the use of insecticides, the production of the electricity generated by the plant’s electrification board, the arsenic compounds, etc., but later, in various studies the researchers said that the pollution of such a vast area is almost impossible from all sources and finally the researchers give an alternative information. The arsenic juice from different sources Thus arsenic spreads in underground water.)

আবিষ্কারক

ভারতবর্ষের পশ্চিমবঙ্গে দীপঙ্কর চক্রবর্তী প্রথমেই আর্সেনিক দূষণের ফলাফল সম্বন্ধে বিবিধ কথা বলেন বিষয়টিকে  আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরেন 1988 খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গে গবেষণা শুরু করেন ইদানিং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যেমন -ভারত, বাংলাদেশ রাশিয়া, তাইওয়ান, আর্জেন্টিনা , চিলি ইত্যাদি
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে জলে আর্সেনিকের মাত্রা প্রতি লিটারে 0.05 মিলিগ্রাম থাকলে তা মানুষের জন্য ক্ষতিকর জলে আর্সেনিক দূষণের জন্য মাটির গভীরে অতিরিক্ত আর্সেনিকযুক্ত স্তরের প্রভাব আছে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন ।দেখা যায় যে অ্যালুমিনিয়াম লোহার পরিমাণ বেশি থাকলে মাটিতে আর্সেনিকের পরিমাণ বেশি হওয়ার সম্ভাবনা।

আর্সেনিক যে যে কাজে ব্যবহৃত হয়

.পশুপালনের কাজে রোগ নিবারণকারী ওষুধ হিসাবে ,
.কাষ্ঠ শিল্প সংরক্ষক রাসায়নিক উপাদান হিসেবে,
৩.রং উৎপাদনে ,সাবান উৎপাদনে ,কাচের সামগ্রী উৎপাদনে ,ইলেকট্রনিক্স শিল্পে ,ব্যাটারি নির্মাণে ব্যবহৃত হয়
.ঔষধ শিল্পে আর্সনিক ব্যবহৃত হয় ।

 

মানুষের ওপর আর্সেনিক দূষণের প্রভাব (Influence of Arsenic Pollution in Human):-

১.আক্রান্ত শরীরেরউপর ছোট ছোট  কালো দাগ দেখা যায় অমসৃণ হয় কালো হয়।
২.জিহ্বা মুখে ঘা পর্যন্ত দেখা যায়।
৩. হাতের পায়ের তালুতে শক্ত গুটি দেখা যায় সাদা দাগ দেখা যায় ফুলে ওঠে চুলকানির এমন কি ক্যান্সার হতে পারে। হাতে পায়ে অসংখ্য নখের সাদা দাগ দেখা যায় একেমিজ রেখাবাঅল্ডরিচ মিজ লাইন (Mess Line; Aldrich Mess Line) বলে
৪. ফুসফুসে প্রদাহ ,এসমা ,ব্রংকাইটিস
৫.লিভার বড় হয়ে যায়
৬.মূত্রনালী মূত্রথলিতে রোগ দেখা যায়
৭.আমাশয় রক্ত বমি হয়

৮.পায়ের পাতায় যে কালো রঙের ঘা য়,তাকে ব্র্যাক ব্ল্যাক ফুট ডিজিজ (Black foot disease) বলে
৯.আর্সনিকোসিস

(Arsenicosis)রোগ হয়,এর লক্ষণ গুলি হল -শারীরিক অবসাদ,দুর্বলতা,হাত পা ঝিন ঝিন করা,পেশীতে টান ধরা ইত্যাদি।
(Arsenic contamination is found in tube-well water in arsenic-infected areas and in India more people live in the possibilities of arsenic pollution.

Symptoms of arsenic-infected diseases-

Usually black spots are seen or black skin becomes black. The hands and feet of the palate become harder and can appear like a small cube which then becomes black. Nausea may vomit. Food disorders, diarrhea, bleeding, mouth bleeding, and mouth. Finally, the kidney, liver, and lungs grow and become a tumor. The hands and feet are in the scalp and the thorns and the thorns Can be skin, muscular and lung cancer. The kidneys and liver may become ineffective again. Stomach aches, headache, and jaundice may occur)
আর্সেনিক ও আর্সেনিক দূষণ

উদ্ভিদদেহে আর্সনিক দূষণের প্রভাব  (Influence of Arsenic Pollution in Plant):-

১. কোশ ক্ষতিগ্রস্থ হয় ।
২.উদ্ভিদের বৃদ্ধি ব্যাহত হয় ।
৩.উদ্ভিদদেহে  মৌলবিপাক বাধা পায় ।

ALSO READ : দূষণের কারণ ও ফলাফল 

আর্সনিক দূষণের মুক্ত জল পেতে কী করব ?

The arsenic-infected patient needs to drink arsenic-free water. Rainwater harvesting can be collected and collected during the rainy season. There is no restriction on arsenic-infected patient’s diet but vegetables should be eaten more than fruits and nutritious meals. If there is a primary symptom of arsenic disease, then you should meet the medical doctor immediately and take the necessary treatment.

You

must check the level of arsenic in the soil below the soil before installing tubal to protect from arsenic pollution. The level of arsenic in the water of the old tubewell and the levels of arsenic in the surrounding water should be examined. If the level of arsenic in water is more than normal, then it is red. And if you get less than usual, green color. Red colored tubules cannot be used for drinking or cooking. Arsenic water cannot be boiled, because arsenic contamination is not only removed, but the density of arsenic will increase further by drying the water.

তথ্য সূত্র- 

  • পরিবেশ বই,ড অনীশ চট্টোপাধ্যায়
  • পরিবেশবিদ্যা বই, ড অলোকা দেবী
  • উচ্চতর জীববিদ্যা, সেন,মিদ্যা ,সাঁতরা।
  • বাংলা ব্লগ,মনুযুর-মুর্শিদ।
  • ছবি- pixabay.com



*************************

pijush sarkar

I am Pijush kanti sarkar, assistant teacher of Ekdala jb school . I have passed Higher secondary education in rampurhat in 2003 with science. Next B.SC in burdown university.I have passed M.SC degree with Zoology subject. Besides i completed computer course and B.SC in LIBRARY SCIENCE, Environment related topics are my favourite from childhood.

You may also like...

3 Responses

  1. October 4, 2019

    […] ALSO READ : আর্সেনিক ও আর্সেনিক দূষণ […]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *